কোভিড-১৯ যুদ্ধে সহজলভ্য ও বহুমাত্রিক ব্যবহার সুবিধার ‘ভেন্টিলেটর’ নকশা তৈরিতে কাজ করছে বিশ্বের ৮টি কোম্পানি, ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের তিন গবেষকদল। সঙ্কটকালীন সময়ে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসে সহযোগিতায় যেন ভেন্টিলেটরের সঙ্কট কাটাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তারা। করোনা মহামারীতে ব্যস্ত ভেন্টিলেটর উদ্ভাবক ও নির্মাতাদের এই তথ্য প্রকাশ করেছে এমএমএইচ ল্যাব।
ফিউচার ইলেকট্রনিক্স নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত এই ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কোম্পানি পর্যায়ে
ড্র্যাগার,
হ্যামিলটন মেডিকেল,
বাউন্ডট্রি,
সানউই,
অ্যালায়েড হেলথ কেয়ার,
মেডট্রোনিক,
মেডট্রোনিক ওএস এবং
ভার্জিন অর্বিট ভেন্টিলেটর উৎপাদনে দিন-রাত কাজ করছে।
অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে
এমআইটি, ইউটি
অস্টিন, ইউপি-
এমআইএইচ,
মিনেসোটা ,
ভেন্ডারবিল্ট,
টেক্সাস প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সেন্টার,
অক্সফোর্ড,
অওবার্ন,
আইআইটি রুরকি এবং
গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় ভেন্টিলেটরকে সুলভ ও সহজলভ্য করতে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে।
এক্ষেত্রে থেমে নেই ব্যক্তি উদ্যোগও। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। লাল-সবুজের পতাকা গায়ে করোনা মোকাবিলায় সম্পূর্ণ স্থানীয় প্রযুক্তিতে দেশে প্রথমবারের মতো ভেন্টিলেটর (কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস মেশিন) তৈরি করেছেন ডা. কাজী সিফায়েত ইনাম
স্বাক্ষর এবং প্রকৌশলী বায়েজীদ শুভ। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ভেন্টিলেটরের নাম দেয়া হয়েছে ‘স্পন্দন’।
অপরদিকে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তিতে একটি ভেন্টিলাইজার একইসঙ্গে চারজন রোগীর ব্যবাহর উপযোগী ভেল্ভ স্পিলটার উদ্ভাবন করেছেন পাকিস্তানের
ডক্টর বিলাল সিদ্দিকী ও তার সহযোগীরা।
ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্ররিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য টোস্টার আকারের ভেন্টিলেটর তৈরি করেছে ভারতের রোবটিক গবেষক
দিবাকর বৈশ্য এবং যৌথভাবে‘প্রাণবায়ু’ নামের আরেকটি ভেন্টিলেটর উদ্ভাবন করেছেন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট মেডিকেল সায়েন্সের রিশিকেশের
অক্ষয় দ্বিবেদী। উদ্ভাবনে তার সঙ্গী ছিলেন ইনস্টিটিউট অব টেকনলোজি রুরকির অরূপ কুমার দাস।